এর মূল কারণ হতে পারে, আপনি কথা কম বলেন, বা অধিকাংশ সময় বাস্তবতা নিয়ে চিন্তিত থাকেন।
তবে এটা শুনেই কথা বলা বাড়িয়ে দেয়ার আগে, আপনাকে মনে রাখতে হবে, অপ্রয়োজনে কথা বলাও কিন্তু একটি বদভ্যাস। আপনি যদি, সবসময় বুঝার পর চিন্তা করে কথা বলেন, তবে এটা কিন্তু একটি ভালো গুণ। সৃষ্টিকর্তা আমাদের কথা বলার জন্য কোনও চার্জ নেন না। সুতরাং সে সুযোগে এর অপব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।
কি করতে পারেনঃ
১। গালের মাংস চেপে যাবার কারণ, সেখানকার মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া। শরীরের প্রতিটি মাংস পেশি এমনকি মস্তিষ্ক পরিশ্রমের বা যথেষ্ট ব্যাবহারের অভাবে সংকীর্ণ হতে থাকে। হ্যাঁ, গালের মাংস পেশিও যথেষ্ট পরিশ্রমের বা ব্যাবহারের অভাবে সংকুচিত হয়ে যায়। যেকোনো মাংসপেশি যতক্ষণ ব্যবহার করা হবে তত উন্নত বা ভালো থাকবে। তবে এর আগে অপুষ্টি থাকলে, তা সাড়াতে হবে।
২। আপনি হয়তো খুব একটা হাসেন না। এর কারণ হতে পারে হাঁসি-তামাশা, বা এধরণের কোনও পরিবেশ আপনার পছন্দ নয়। এগুলো আপনার কাছে নিরর্থক। আমি বলবো, যদি আপনি এধরণের একজন মানুষ হন, তবে এটা আপনার অনেক ভালো একটি গুণ। তবে, অন্য সবার মতো হাঁসি তামাশায় গা ভাসিয়ে দেয়ার চেয়ে মাঝে মাঝে একটু খুশির সাথে হাঁসতেও পারেন। কাওকে সে হাসির শব্দ শোনাতে হবে না। হাঁসির সময় গালের মাংসপেশির সংকোচনের মাধ্যমে সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম হয়।
তবে এটা শুনেই কথা বলা বাড়িয়ে দেয়ার আগে, আপনাকে মনে রাখতে হবে, অপ্রয়োজনে কথা বলাও কিন্তু একটি বদভ্যাস। আপনি যদি, সবসময় বুঝার পর চিন্তা করে কথা বলেন, তবে এটা কিন্তু একটি ভালো গুণ। সৃষ্টিকর্তা আমাদের কথা বলার জন্য কোনও চার্জ নেন না। সুতরাং সে সুযোগে এর অপব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।
কি করতে পারেনঃ
১। গালের মাংস চেপে যাবার কারণ, সেখানকার মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া। শরীরের প্রতিটি মাংস পেশি এমনকি মস্তিষ্ক পরিশ্রমের বা যথেষ্ট ব্যাবহারের অভাবে সংকীর্ণ হতে থাকে। হ্যাঁ, গালের মাংস পেশিও যথেষ্ট পরিশ্রমের বা ব্যাবহারের অভাবে সংকুচিত হয়ে যায়। যেকোনো মাংসপেশি যতক্ষণ ব্যবহার করা হবে তত উন্নত বা ভালো থাকবে। তবে এর আগে অপুষ্টি থাকলে, তা সাড়াতে হবে।
২। আপনি হয়তো খুব একটা হাসেন না। এর কারণ হতে পারে হাঁসি-তামাশা, বা এধরণের কোনও পরিবেশ আপনার পছন্দ নয়। এগুলো আপনার কাছে নিরর্থক। আমি বলবো, যদি আপনি এধরণের একজন মানুষ হন, তবে এটা আপনার অনেক ভালো একটি গুণ। তবে, অন্য সবার মতো হাঁসি তামাশায় গা ভাসিয়ে দেয়ার চেয়ে মাঝে মাঝে একটু খুশির সাথে হাঁসতেও পারেন। কাওকে সে হাসির শব্দ শোনাতে হবে না। হাঁসির সময় গালের মাংসপেশির সংকোচনের মাধ্যমে সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম হয়।





